THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS TALKS AGAINST CASTEIST HEGEMONY IN SOUTH ASIA

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS TALKS AGAINST CASTEIST HEGEMONY IN SOUTH ASIA INDIA AGAINST ITS OWN INDIGENOUS PEOPLES

PalahBiswas On Unique Identity No1.mpg

Tuesday, July 21, 2015

সাধারণ মানুষ গুলো যে কতটা অসহায়, লোকাল ট্রেন আর লোকাল থানাতে গেলেই বোঝা যায়|


একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার না করে পারলাম না |
মোবাইলটা হারিয়ে যাওয়ার জন্য থানাতে গিয়েছিলাম জি.ডি করতে, প্রায় বিকাল সাড়ে চারটা| গিয়ে দেখলাম যে রুমটাতে ডায়েরি করছে সেই রুমে ৪-৫ জন বসে আছে, সামনে একটা কালার টিভি বসানো আছে, তাতে এমন একটা বাংলা সিনেমা চলছিল সেটা দেখেই অনুমান করা যায় এনাদের পরিস্থিতি কোন জায়গায়| আর সামনের এনকোয়ারি রুমে এক ব্যক্তি বোসে বোসে ঘুমাচ্ছিল| যাই হোক তিন চার জনার পর লাইন| যে ব্যক্তিটি ডায়েরি লিখছিল, সে দু লাইন লিখছিল আর তিন মিনিট সিনেমা দেখছিল, আর মাঝে মধ্যে সাইকো পাবলিকের মত হাসছিল| আমার চিঠিটা পড়ে খুব ধমক দিয়ে বলল তোমার মোবাইল কি করে আমরা খুঁজে দেব, কি লিখেছ? আমি খুব শান্ত ভাবেই বললাম তাহলে কি লিখবো? উনি বললেন লেখ সিম হারিয়ে গেছে | আমি সেট কেটে সিম লিখে দিলাম| ঠিক তারই মধ্যে এক দল ছেলে আর কয়েকটা মেয়ে, তারা ডায়েরি করতে এসেছে, কাদের সঙ্গে তারা মারা মারী করেছে| এরা হোলো মার খাওয়া পাটি| আমি দাড়িয়ে আছি| তাদের চিঠিটা পড়ে খুব জোরে তাদেরকে ধমক দিতে লাগলো, এবং নানান কথায় ব্যঙ্গ করতে লাগলো, তার ব্যবহার মোটেও ভদ্র ছিলনা, তার পর কোথায় যেন ফোন করলো, এবং ডায়েরি করবে কি জিজ্ঞাসা করলো, ওখানে বোসে বোসেই| তার পর যে ছেলে গুলো ডায়েরি করতে এসেছিল তাদের কে রুমের মধ্যে নিয়ে গেল| পরে সেই চিঠি টা নিয়ে কথায় যেন চলে গেল, আমাকে বেশ গম্ভীর ভাবে বলল তুমি দাড়াও| কিছুক্ষণ পর এলো, তার পর আমার জি.ডি টা করলো| আমার মনে কিছু প্রশ্ন জাগলো, প্রথমত আলাদা কমন রুম কেন নেই? ওদের এন্টারটেইনমেন্টর মাঝে সাধারণ মানুষের সমস্যা গুলো গুরুত্ব হীন হয়ে যাচ্ছে|
যে ব্যক্তিটি জি.ডি করছিল সে মানুষের সঙ্গে এতটাই খারাপ ব্যবহার করছিল যে আমার ভাবতেই অবাক লাগছিল, দরিদ্র অসহায় মানুষগুলোর সমস্যা গুলো এনাদের কাছে কোনো গুরুত্ব পায়না| আর একটাই লাইনে সব মানুষ দাড়িয়ে আছে| আমার মতো যাদের মোবাইল বা কিছু হারিয়ে গেছে তাদের তো নামে নামে কাজ মিঠে গেল, কিন্তু বহু মানুষ আছেন যাদের সত্যিই অনেক সমস্যা তারা এই একই লাইনে দাড়িয়ে গুরুত্ব হীন হয়ে যাচ্ছে| যদি একটা সাধারণ আর একটা ইমার্জেন্সি ব্যবস্থা থাকতো তাহলে কত ভালো হত| আর যা দেখলাম রাজনৈতিক লোকের সুপারিশ ছাড়া বিচার তো দুরের কথা, জি.ডি টা করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে| শেষটা দেখতে পেলাম না, তবে যা বুঝলাম ওই চিঠির বয়ান বদলে তবেই ডায়েরি লেখা হবে| এটা ঠিক, এই সরকারী চাকুরীজীবিদের সারা দিন বিভিন্ন সমস্যায় থাকতে হয়, কিন্তু তা বলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নুন্যতম ভদ্র ব্যবহার টুকুও করতে জানেন না? সরকারী চাকুরী করলেই কি সবার মাথায় একটা করে হিটার লাগিয়ে দেওয়া হয় ? যে সাধারণ পাবলিক দেকলেই খেপে যেতে হবে ? সুধু থানা নয় প্রত্যেক অফিস, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গায় একই অবস্থা| সাধারণ মানুষ গুলো যে কতটা অসহায়, লোকাল ট্রেন আর লোকাল থানাতে গেলেই বোঝা যায়| আধা ঘন্টা ছিলাম, চলে আসার সময় ও দেখলাম সেই ব্যক্তি তখনো ঘুমাচ্ছে|


--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...