THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS TALKS AGAINST CASTEIST HEGEMONY IN SOUTH ASIA

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS TALKS AGAINST CASTEIST HEGEMONY IN SOUTH ASIA INDIA AGAINST ITS OWN INDIGENOUS PEOPLES

PalahBiswas On Unique Identity No1.mpg

Thursday, July 25, 2013

ফিরে চল মাটির টানে

ফিরে চল মাটির টানে

ফিরে চল মাটির টানে
প্রকৃতিকে ফেরাতে 'চিন্তন'-এর প্রয়াস 'শ্যামল সুখের ধরা'৷ অনুষ্ঠিত হল জিডি বিড়লা সভাগারে৷ শুনলেন উপালি মুখোপাধ্যায়৷


রবীন্দ্রনাথ কেবল সাহিত্যিক বা কবি ছিলেন না৷ ছিলেন দূরদ্রষ্টাও৷ তাই আগে ভাগেই বুঝেছিলেন, মাটিই খাঁটি৷ কংক্রিটের আস্তানা দিতে পারবে না সবুজের ছায়া৷ প্রাণের স্পন্দন৷ এই অনুভব থেকেই ধরাকে ধরে রাখার আয়োজন একশ বছর আগে নীরবে শুরু করেছিলেন তিনি৷ প্রকৃতি পাঠশালা শন্তিনিকেতন গড়ে৷ 'ঋতু উত্‍সব', 'বৃক্ষ রোপন', 'হল কর্ষণ' পালন করে৷ এই রবীন্দ্র-ভাবনার প্রতিচ্ছবি 'শ্যামল সুখের ধরা'য়৷ 

মঞ্চ জুড়ে ছিল একটুকরো শান্তিনিকেতন৷ ছিল আম্রকুঞ্জ৷ তারই তলায় বসে গান, পাঠ, নাচ৷ মোট ১৩-১৪টি গানের সবকটিই রবীন্দ্র প্রকৃতি পর্যায়ের৷ গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী, লোপামুদ্রা মিত্র, শৌনক চট্টোপাধ্যায়৷ শুরুতে কবির 'জীবন স্মৃতি' পাঠ করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়৷ সেই ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করেছেন ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ব্যাক প্রোজেকশনে দেখানো হয়েছে সৃষ্টির আদি এবং আধুনিকতা৷ নানা কোলাজে ধরা পড়েছে প্রকৃতির অমূল্য ভাণ্ডার৷ যা অ-মূল্যে লুঠ করছে মানুষ৷ সভ্যতার আদি কথা নিখঁুত ব্রিটিশ অ্যাকসেন্টে শুনিয়েছেন বরুণ চন্দ৷ তাকে কবির ভাষায় বোঝানোর দায়িত্বে সৌমিত্রবাবু৷ সুজয়প্রসাদের গলায় বিরহ বড়ই মধুর৷ উল্লেখ করতেই হবে, রবীন্দ্রনাথের কোনও স্বর না বদলে নিজস্ব গায়কীতে কী সহজ করে গাইলেন রূপঙ্কর- 'আলো আমার আলো ওগো','আকাশ ভরা সূর্য তারা', 'কোন পুরাতন মাটির টানে'৷ যোগ্য সঙ্গী লোপামুদ্রা৷ তাঁর গাওয়া 'ফুল বলে ধন্য আমি' বা 'আয় আমাদের অঙ্গনে' বারে বারে মনে পড়বে৷ তুলনায় বেশি গেয়েছেন শৌনক৷ গলা ভাল৷ তবে অস্পষ্ট উচ্চারণ, ট্রিমোলো দোষে দুষ্ট৷ ভরতনট্টম, ওড়িশি, ছৌ, কত্থক, মণিপুরী নাচের মুদ্রায় নৃত্যশিল্পী সন্দীপ মল্লিক ও সম্প্রদায় প্রকৃতির প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছেন তালে তালে৷ গোটাটাই 'চিন্তন'-এর শৌনকের পরিকল্পনা৷

No comments:

Post a Comment

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...